সোমবার : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯ | ১ আশ্বিন ১৪২৬ | ১৬ মুহাররম ১৪৪১ | সকাল ৬:৫১

সেকশন এক

হাজার কোটি টাকা লুকিয়ে আছে কোরবানির পশুর বর্জ্যে

বি-বার্তা | আগস্ট ২২, ২০১৯

ঈদের পরই রাজধানীতে জমে উঠেছে কোরবানির পশুর হাড়ের রমরমা ব্যবসা। কোরবানি পরবর্তী সময়ে পশুর বর্জ্য বা উচ্ছিষ্টে লেনদেন হচ্ছে হাজার কোটি টাকা। গত বছর বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পশুর বর্জ্য রফতানিতে আয় হয়েছে ১৭০ কোটি টাকার বেশি। আর এ বছর এর পরিমাণ ২০০ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে। আর এ ব্যবসায় ব্যস্ত সময় কাটছে নগরীর হাজারীবাগ ও কামরাঙ্গীরচর এলাকার পশুর হাড়ের বেপারিদের। বাংলাদেশ রফতানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) ও বাংলাদেশ মাংস ব্যবসায়ী সমিতি সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

জানা গেছে, এক সময় কোরবানি দেয়া গরু, মহিষ, ছাগল ও ভেড়ার হাড়, শিং, অণ্ডকোষ, নাড়িভুঁড়ি, মূত্রথলি, পাকস্থলি ও চর্বি ফেলে দেয়া হতো। কিন্তু এগুলো এখন আর ফেলনা নয়। এসব বর্জ্য থেকেই হচ্ছে কোটি টাকার বাণিজ্য। বর্জ্যরে মধ্যে থাইল্যান্ড, মিয়ানমার, জাপান ও চীনে গরু-মহিষের পেনিস বা লিঙ্গ অত্যন্ত দামি বস্তু। এ দিয়ে তৈরি স্যুপ ওইসব দেশে খুবই জনপ্রিয় ও দামি খাবার। ওষুধ তৈরির কাঁচামাল হিসেবেও ব্যবহার করা হয়। এসব দেশে পশুর একেকটি লিঙ্গ ৮-১০ ডলারে বিক্রি হয়। এছাড়া গরু-মহিষের দাঁত ও হাড় থেকে তৈরি হয় ক্যাপসুলের কাভার।

রাজধানীতে রয়েছে পশুর বর্জ্যরে বিশাল বাজার। বুড়িগঙ্গা নদীর ওপারে কেরানীগঞ্জে রয়েছে দুটি বাজার একটি জিঞ্জিরায়, অন্যটি হাসনাবাদ এলাকায়। আগে কেবল ঢাকার আশপাশ থেকে এই বাজারে শিং ও হাড় এলেও এখন দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকেই এই বাজারে আসছে গরু-মহিষের শিং ও হাড়।
হাজারীবাগ ঘুরে দেখা গেছে, রাজধানীর গুলশান, মহাখালী, পুরান ঢাকাসহ সারাদেশের বিভিন্ন এলাকায় বর্জ্য হিসেবে ফেলে দেয়া পশুর বিভিন্ন অঙ্গ কসাই, পথশিশু, পরিচ্ছন্নকর্মী ও ফেরিওয়ালারা সংগ্রহ করে দোকানে বিক্রি করছে। ভিজা হাড়, মাথা, দাতের প্রতি কেজি ৮ থেকে ১০ টাকা আর শুকনো হাড় ১৫ থেকে ২০ টাকা কেজি। পশুর অণ্ডকোষ, লিঙ্গ ২৫ থেকে ৪০ টাকা, শিং ৬০ থেকে ৮০ টাকায় বিক্রি করে। চর্বি বিক্রি করা হয় ৩০ থেকে ৬০ টাকা। সাবান তৈরিতে ব্যবহার হয় চর্বি। রক্ত প্রতি কেজি ৮ থেকে ১৫ টাকা। রক্ত শুকিয়ে পোল্ট্রি ও পাখির খাবার তৈরি হয়।

পুরান ঢাকার হাজারীবাগের হাড্ডিপট্টিতে পশুর হাড়-মাথা কেনার ৩০ থেকে ৪০টি ভাঙ্গারির দোকান রয়েছে। গরু-মহিষের হাড় ছাড়াও অন্যান্য অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ বিকিকিনি চলে হাজারীবাগে। এছাড়াও বুড়িগঙ্গা নদীর ওপারে কেরানীগঞ্জে রয়েছে দুটি বাজার একটি জিঞ্জিরায়, অন্যটি হাসনাবাদে।
হাজারীবাগের মেসার্স আরিফ ব্রাদার্স আড়তের মালিক আব্দুস শুকুর মিয়া বলেন, হাড় ওষুধ কোম্পানির কাছে বিক্রি করা হবে। প্রতি টন ২৩ হাজার থেকে ৩০ হাজার টাকায় প্রতি টন বিক্রি করা হয়।

হাড় গুঁড়া করার নিজস্ব মেশিন আছে জানিয়ে শুকুর মিয়া বলেন, দেশে প্রায় ১৫০ ওষুধ কোম্পানি ও হারবাল প্রতিষ্ঠানে ব্যবহারের জন্য প্রতি মাসে ৩০ থেকে ৪০ কোটি ক্যাপসুল তৈরি করে। বেশ কিছু কোম্পানি গুঁড়া করা হাড় থেকে ক্যাপসুলের সেল তৈরি করে। এতে প্রতি মাসে টনে টনে পশুর হাড় প্রয়োজন হয়। জাপান, কোরিয়া, চীন, জার্মানির সবচেয়ে জনপ্রিয় খাদ্য সুসেড রুলসহ বিভিন্ন ধরনের খাবার অণ্ডকোষ দিয়ে তৈরি হয়।

জানা গেছে, পশুর হাড় দিয়ে ওষুধ ক্যাপসুলের কাভার, মুরগি ও মাছের খাবার, জৈব সার, চিরুনি ও পোশাকের বোতাম তৈরি হয়। নাড়ি দিয়ে অপারেশনের সুতা, রক্ত দিয়ে পাখির খাদ্য, চর্বি দিয়ে সাবান, পায়ের খুর দিয়ে অডিও ভিডিওর ক্লিপ, অণ্ডকোষ দিয়ে তৈরি হয় জাপানের সবচেয়ে জনপ্রিয় খাদ্য সুসেড রুল। গরুর রক্ত শুকিয়ে ব্লাড মিল তৈরি করা যায়। সিরামিক শিল্পের কাঁচামাল হিসেবেও হাড় ব্যবহৃত হয়। এছাড়া জার্মানি ও ইতালিতে ব্যাপক চাহিদা থাকায় পশুর শিং সরবরাহ করা হয়ে থাকে।

সূত্র মতে, কারখানাগুলোয় প্রথমে হাড় শুকিয়ে গুঁড়া করা হয়। হাড়ের গুঁড়া ক্যাপসুলের আবরণ তৈরির কাজে ব্যবহার হয়। পাশাপাশি হাড় ও হাড়ের গুঁড়া বিদেশে রফতানি করা হয়। গরু, মহিষ ও ছাগলের শিং ভারতে রফতানি হয়। শিং দিয়ে বিভিন্ন কারুপণ্য তৈরি করা হয়। এছাড়া মাথার হাড় দিয়ে মেলামাইন তৈরিসহ অন্যান্য কাজে ব্যবহার করা হয়। পশুর শিং দিয়ে তৈরি হয় চিরুনি, বোতাম, এক্স-রে ফিল্ম, ক্যামেরার ফিল্ম, ঘর সাজানোর দ্রব্য তৈরি করা হয়।

হাজারীবাগের হাড় ব্যবসায়ী রবিউল আলম বলেন, বছরে একবারই আমরা এ ব্যবসাটা করি। বহুল প্রচারিত নয়, তারপরেও ভালো দাম পাই বলে বছরে একবারই এসব সংগ্রহে নামি। আমরা এগুলো সংগ্রহ করে কিছুটা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে বিক্রি করি। এগুলো কেনার জন্য লোকজন আসেন। তাই বিক্রিতে ঝক্কি-ঝামেলা নাই, দাম ভালো। তবে গরুর হাড়, শিং, চামড়া, নাড়িভুঁড়ি, মূত্রনালি, চর্বি, রক্তের মতো বর্জ্যগুলো সঠিকভাবে সংরক্ষণ করে প্রক্রিয়াজাত করা গেলে এগুলো দেশেই কাজে লাগানো যেত। দুই মণ ওজনের প্রতিটি গরু থেকে প্রাকৃতিক সার তৈরির জন্য ২০ কেজি বর্জ্য তৈরি হয়। পেনিস ও গোল্লা (ভুঁড়ি) রফতানি হয়। প্রতিটি পেনিসের রফতানিমূল্য ৪ থেকে ৬ ডলার ও গোল্লার মূল্য ১০-১২ ডলার। পশুর বর্জ্যরে বড় বাজার হলো থাইল্যান্ড, মিয়ানমার, চীন ও জাপান।

তিনি বলেন, স্থানীয় ওষুধ শিল্পের জন্য হাড়ের চাহিদা রয়েছে। এগুলোকে হাজার কোটি টাকার সম্পদে রূপান্তর করা সম্ভব। সরকারের পাশপাশি ওষুধ উৎপাদনকারী বেক্সিমকো, অপসোনিনসহ স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানগুলো এগিয়ে আসলে পরিবেশ দূষণমুক্তের পাশাপাশি প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা সম্ভব।
বাংলাদেশ রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্য অনুযায়ী, গত বছর (২০১৮ সালে) ১৭০ কোটি টাকার বেশি পশুর হাড়, যৌনাঙ্গ ও গোল্লা বিভিন্ন দেশে রফতানি হয়েছে।

বাংলাদেশ মাংস ব্যবসায়ী সমিতির তথ্য অনুযায়ী, গত বছর শুধু কোরবানির পশু থেকে এক হাজার মণ হাড়, ছয় হাজার কেজি লিঙ্গ ও ৫০০ মণ গোল্লা (নাড়িভুঁড়ি) সংগ্রহ করা হয়েছিল। সাধারণভাবে সমিতি সারাদেশ থেকে মাসে আড়াইশ’ মণ হাড় সংগ্রহ করতে পারে। সেই হিসাবে বছরজুড়ে সংগ্রহ করা হাড়ের এক-তৃতীয়াংশই আসে কোরবানির সময়। এ কারণে এ সময় বর্জ্য সংগ্রহে লোকবল বাড়ানো হয়।

স্থানীয়রা জানান, আগে টোকাইদের কাছ থেকে নগদ টাকা দিয়ে এসব বর্জ্য কেনা হতো। তবে এখন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের কাছ থেকেই কেনা হয় এগুলো। সব মাল একসঙ্গে ট্রাকে করে নিয়ে যাওয়া হয় সীমান্তে। ওপারের ব্যবসায়ীরা এসে সেখান থেকে মাল নিয়ে যান। অনেক সময় ব্যবসায়ীদের প্রতিনিধি থাকেন। তাদের দিয়েও মাল পাঠিয়ে দেয়া হয়। হাড় ও শিং একটু বেশি পরিষ্কার হলে ভালো দাম পাওয়া যায়।

তবে অপরিষ্কার ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে এসব কারখানার অবস্থান হওয়ায় পুরো এলাকার পরিবেশ রয়েছে ভয়াবহ ঝুঁকির মুখে। মুনাফার লোভে পরিবেশ অধিদফতরের ছাড়পত্রের তোয়াক্কা না করেই কারখানা খুলে বসেছেন অনেক ব্যবসায়ী। অপরিষ্কার ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে এসব কারখানায় কাজ করে যাচ্ছেন হাড়ের বেপারি ও শ্রমিকরা।

মাংস ব্যবসায়ী সমিতির মহাসচিব রবিউল আলম বলেন, পশুর বর্জ্য-হাড়, শিং, চামড়া, ভুঁড়ি, পেনিস, মূত্রথলি, চর্বি, রক্ত- ইত্যাদি সবই রফতানিযোগ্য। অধিকাংশ রফতানি হয় চীন, মিয়ানমার ও থাইল্যান্ডে।

তিনি আরও বলেন, এ বছর সার্বিকভাবে পশুর উচ্ছিষ্ট থেকে আয় দুইশ’ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে। কেরানীগঞ্জের হাড় ব্যবসায়ী মো. সাব্বির হোসেন জানান, রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে গরু ও মহিষের পেনিস সংগ্রহ করা হয়েছে। এ পেনিসের রফতানি মূল্য ৮ থেকে ১০ ডলার।

জানা গেছে, কারখানাগুলোয় প্রথমে হাড় শুকিয়ে গুঁড়া করা হয়। হাড়ের গুঁড়া ক্যাপসুলের ক্যাপ (আবরণ) তৈরির কাজে ব্যবহƒত হয়। পাশাপাশি হাড় ও হাড়ের গুঁড়া বিদেশে রফতানি করা হয়। গরু, মহিষ ও ছাগলের শিং ভারতে রফতানি হয়। শিং দিয়ে বিভিন্ন কারুপণ্য তৈরি করে ভারতের কারিগররা। এছাড়া হাড়ের গুঁড়া দিয়ে স্থানীয়ভাবে মুরগির খাবার এবং জৈব সারও তৈরি করা হয়। ওষুধ কোম্পানিগুলো পশুর গলা, পাঁজর ইত্যাদি অংশের হাড় কেনে। সেগুলো দিয়ে ক্যাপসুল বানানো হয়। মাথার হাড় দিয়ে মেলামাইন তৈরির পাশাপাশি মাছ ও মুরগির খাবার তৈরি এবং অন্যান্য কাজ করা হয়। পশুর শিং দিয়ে তৈরি হয় চিরুনি, বোতাম, এক্স-রে ফিল্ম, ক্যামেরার ফিল্ম, ঘর সাজানোর দ্রব্য ইত্যাদি।

হাজারীবাগের কালুনগর এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে, আবিদান ব্রাদার্স নামক কারখানার সামনে হাড় এনে যেন ছোটখাটো এক পাহাড় জমিয়ে ফেলেছেন ফেরিওয়ালারা। কারখানা শ্রমিকরা সেসব হাড় মেপে মেপে কিনে নিচ্ছিলেন তাদের কাছ থেকে। প্রতি কেজি হাড়ের দাম দেয়া হচ্ছিল ৮-১০ টাকা করে। কারখানার সুপারভাইজার মো. ফারুক জানালেন, এ হাড় পরিষ্কার করে ভাঙ্গার পর অপসোনিন কোম্পানির কাছে বিক্রি করা হবে। দেশে এ একটি ওষুধ কোম্পানিই খোলাবাজার থেকে হাড় ক্রয় করে।

আবিদান ব্রাদার্সের মালিক মো. ভোলা মিয়া জানিয়েছেন, সরকারের পৃষ্ঠপোষকতা না পাওয়ায় এ কারখানাগুলো বিলুপ্ত হয়ে গেছে। এখন সৈয়দপুরে কয়েকটি হাড় প্রক্রিয়াকরণ কারখানা তৈরি হয়েছে। সেখানে চিরুনিসহ অন্য হাড়জাত দ্রব্য উৎপাদিত হয়। গরুর প্রজননতন্ত্র মূলত মিয়ানমারে রফতানি করা হয়। সেখানে এর স্যুপ খুবই বিখ্যাত খাবার।

হাজারীবাগ ও কামরাঙ্গীরচরের একেকটা কারখানা বছরে ৫ থেকে ৬শ’ টন হাড় সংগ্রহ করে কাঁচাবাজার ও ফেরিওয়ালাদের কাছ থেকে। এর বেশিরভাগই ওষুধ কোম্পানি অপসোনিনে সরবরাহ করা হয়। এছাড়া কিছু অংশ মিয়ানমার, ভারত, জাপান, ইরানসহ অন্যান্য দেশে রফতানিও হয়। সারাদেশে ৩৫টির মতো কারখানা রয়েছে, যেখানে হাড় গুঁড়া করা হয়।

রাজধানীর হাজারীবাগ, কামরাঙ্গীরচর ছাড়াও হাড় ভাঙার কারখানা আছে যাত্রাবাড়ী ও মৃধাবাড়ী এলাকায়। চট্টগ্রামের কালুরঘাট শিল্প এলাকায় গড়ে উঠেছে চারটি হাড়ের কারখানা। খুলনা মহানগরীর লবণচরা এলাকায় রূপসা নদীর তীর ঘেঁষে গড়ে ওঠা ৩টি হাড় কারখানা প্রতিবছর দেড় কোটি টাকার হাড় বিদেশে রফতানি ও স্থানীয় বাজারে বিক্রি করছে। ৩টি কারখানাই বর্তমানে লাভজনকভাবে চলছে। এগুলো গত অর্থবছরে প্রায় দেড় কোটি টাকার পশুর হাড় রফতানি ও স্থানীয় বাজারে বিক্রি করেছে। এছাড়া সৈয়দপুর, বরিশাল, যশোরসহ দেশের বিভিন্ন জেলা শহরেও এখন হাড়ের কারখানা গড়ে উঠেছে।

পাড়া মহল্লা থেকে হাড় সংগ্রহকারী মজিবর বলেন, রাজধানীতে ঈদের সময় পশু কোরবানির পর হাড় সংগ্রহ করে টোকাইরা। তারা হাড় ভাঙ্গারির দোকানে বিক্রি করে। পরে সেই উচ্ছিষ্ট যায় হাজারীবাগের হাড্ডি পট্টির আড়তে। প্রকার ভেদে প্রতি টন হাড়ের মূল্য ১৫ থেকে ৩০ হাজার টাকা।
শ্রমিকদের স্বাস্থ্যঝুঁকির ব্যাপারটিকে খুব বেশি মনোযোগ দেয়া হয় না বলেই মেনে নিয়েছেন হাজারীবাগের বেপারিরা। মো. ভোলা মিয়া বলেন, নিতান্ত পেটের দায়ে শ্রমিকরা হাড় ঘাঁটাঘাঁটির এ কাজে এসেছে। সুযোগ থাকলে তো এ কাজে আসত না। আর ভালো কোনো কাজে যেত।

পরিবেশগত ঝুঁকি সম্পর্কে বেপারিরা জানান, হাজারীবাগ এলাকায় যখন হাড় কারখানা গড়ে উঠেছিল তখন এখানে তেমন লোকবসতি ছিল না। এখন বসতির পাশাপাশি অনেক দোকানপাট গড়ে উঠেছে। পশুর হাড় ও মুরগির বিষ্টাসহ অন্যান্য বর্জ্যরে দুর্গন্ধে এখানকার মানুষের অসুবিধা হচ্ছে। এ কারণে এলাকাবাসীর অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে পরিবেশ অধিদফতর আমাদের বৈধতা দিচ্ছে না। ইতোমধ্যেই পরিবেশ অধিদফতর থেকে কারখানা সরিয়ে নেয়ার জন্য চিঠি দেয়া হয়েছে। আমরা নগরীর বাইরে জায়গা দেখছি, খুব শিগগিরই কারখানাগুলো এখান থেকে সরিয়ে নেয়া হবে।

Please follow and like us:







পুরনো সংখ্যা

আগষ্ট ২০১৯
সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
« জুলাই    
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  










তথ্য প্রযুক্তি

বন্ধ হয়ে যাচ্ছে ফেসবুকের গ্রুপ চ্যাট

বি-বার্তা | আগস্ট ২৩, ২০১৯

কাজের প্রয়োজনে কিংবা আড্ডায় ফেসবুক গ্রুপ চ্যাটের জুড়ি নেই। প্রাইভেসির কথা চিন্তায় এনে এবার ম্যাসেঞ্জারে ফেসবুক গ্রুপ থেকে তৈরি করা গ্রুপ চ্যাট সেবা বন্ধ করছে ফেসবুক। যা আগামী বৃস্পতিবার (২২ আগস্ট) থেকে কার্যকর হবে। তবে গ্রুপ চ্যাট বন্ধ হলেও পূর্বের চ্যাটগুলো দেখা যাবে। শনিবার সকাল থেকেই ব্যবহারকারীদের ম্যাসেঞ্জারে এ সংক্রান্ত নটিফিকেশন দিয়েছে ফেসবুক। কমিউনিটি লিডারশিপ […]

নারী শিশু

নারীদের জন্য মেডিটেশন ভীষণ জরুরি

বি-বার্তা | আগস্ট ২৩, ২০১৯

আমাদের আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপটে নারীরা পুরুষের তুলনায় এখনো অনেক পিছিয়ে আছেন। অর্থনীতি, শিক্ষা, প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে নারীরা এখনো সারা পৃথিবীতে বিশেষত বাংলাদেশে পুরুষের সমমর্যাদায় পৌঁছাতে পারেননি। শহর এলাকাগুলোতে নারীরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে বড় ডিগ্রি নিচ্ছেন, লেখাপড়া শেষে নিজের কর্মসংস্থানে যুক্ত হচ্ছেন। শহর এলাকাগুলোতে এই পরিসংখ্যান নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়। কিন্তু গ্রামাঞ্চলে বা শহরেও অনেক নারী এখনো পিছিয়ে আছেন। প্রতিষ্ঠা, […]

ফিচার

সংস্কারের অভাবে চলাচলের অযোগ্য লিংক রোড

বি-বার্তা | আগস্ট ২৭, ২০১৯

ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোডের অবস্থা দিন দিন খারাপ হচ্ছে। কোথাও উঁচু-নিচু। পিচ উঠে গেছে জায়গায় জায়গায়। সড়কের মাঝ বরাবর পিচের উচুঁ ঢিবি তৈরী হয়েছে। কোথও কোথাও পানি জমে পিচসহ খোয়া উঠে গেছে। গর্তগুলো দিনের ব্যবধানে বড় হচ্ছে। এসব সংস্কারে এসে দায়সারা কাজ করছে সড়ক বিভাগ। ছোট ছোট কিছু গর্তে ইট ফেলে সংস্কার শেষ করছে। বড় সমস্যাগুলো […]

স্বাস্থ্য

৩শ’ শয্যায় ঠাই হচ্ছেনা রোগীর যাচ্ছে ঢাকায়

বি-বার্তা | আগস্ট ২৯, ২০১৯

ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা যখন কমে আসছে তখনই আবার নতুন করে বৃদ্ধি পেয়েছে শিশু রোগীর সংখ্যা। তবে সেটা ডেঙ্গু নয় ঠান্ডা, জ্বর, নিমোনিয়া সহ অন্যান্য রোগে আক্রান্ত। আর হঠাৎ করে রোগীর সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় হিমশিম খেতে হচ্ছে ৩০০ শয্যা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে। পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না থাকা সহ অনেক শিশুকে ঢাকায় পাঠানো হচ্ছে। তবে কর্তৃপক্ষের দাবি […]

নামাজের সময়

    ঢাকা, বাংলাদেশ
    সোমবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৯
    ওয়াক্তসময়
    সুবহে সাদিকভোর ৪:২৯ পূর্বাহ্ণ
    সূর্যোদয়ভোর ৫:৪৫ পূর্বাহ্ণ
    যোহরদুপুর ১১:৫৩ পূর্বাহ্ণ
    আছরবিকাল ৩:২০ অপরাহ্ণ
    মাগরিবসন্ধ্যা ৬:০২ অপরাহ্ণ
    এশা রাত ৭:১৭ অপরাহ্ণ

সাহিত্য

রাখালরাজার কবরে লক্ষ চোখের পানি

বি-বার্তা | আগস্ট ১৭, ২০১৯

“ ইকরি মিকরি চামচিকরি / কাতুর কুতুর ছা, টুঙ্গিপাড়া শেখেরবাড়ি / উইড়া সেথায় যা । সেইখানেতে রাখালরাজার / ছোট্ট কবর খানি সকাল বিকাল ঝরায় কেবল/ লক্ষ চোখের পানি।” ১৫ আগস্ট এলেই মনে পড়ে যায় প্রখ্যাত শিশু সাহিত্যিক খালেক-বিন-জয়েনউদ্দিন এর লেখা প্রাণস্পর্শী এই ছড়াটির কথা। অত্যন্ত আবেগ দিয়ে লেখা ছড়ার প্রথম চারটি লাইন পড়লেই বাংলার রাখালরাজা […]

সম্পাদকীয়

উদ্বেগ উৎকণ্ঠা আর শঙ্কায় নগরবাসী

বি-বার্তা | এপ্রিল ০৫, ২০১৯

ঝড় আসার পূর্বাভাসগুলোর মধ্যে অন্যতম একটি হচ্ছে গুমোট আবহাওয়া। এরপরই ঝড়ের কড়াল থাবা তছনছ করে দিয়ে যায় তিলোত্তমা। তেনই একটি গুমোট গুমোট ভাব এখন নারায়ণগঞ্জ নগরীর সর্বত্র। অনেকেই বলছেন, খুব খারাপ কিছু হয়তো অপেক্ষা করছে শহর ও শহরতলীবাসীর জন্য। গত কদিন ধরেই শহরের চারদিকে কেমন যেন এক অস্থিরতা সবার মঝে। শঙ্কা আর কৌতুহল নিয়েই চলছে […]